আগে শুনি, তারপর বলি
এক বিকেলে তৃষা, তার বড় ভাই রাফি, মা ও দাদা একসঙ্গে বসলেন। ফোনটি টেবিলে রাখা। সবার কথা বলার সুযোগ আছে—কেউ কাউকে মাঝপথে থামাবেন না।
“স্কুল থেকে ফিরে অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সবাই ব্যস্ত থাকলে আমি আর বলি না।”
“ফোনে আমার পড়া আর কাজও থাকে। তবু তোমার কথা শোনার সময় যে রাখিনি, সেটা ঠিক হয়নি।”
“আমিও সারাদিনের কাজের পর ক্লান্ত থাকি। তোমাদের কাছে জানতে চেয়েছি কম, পরামর্শ দিয়েছি বেশি। আজ তোমরা বলো, আমি শুনছি।”
“আমার ছোটবেলার নিয়ম তোমাদের ওপর চাপাতে চাই না। তবে দিনের কিছুটা সময় যদি সবাই একসঙ্গে বসি, একে অন্যকে বুঝতে পারব।”
তৃষা প্রস্তাব দিল, “প্রতিদিন সন্ধ্যায় পনেরো মিনিট শুধু আমাদের কথা হবে?” রাফি বলল, “হ্যাঁ, জরুরি কাজ ছাড়া ফোনটা পাশে রাখব।” মা যোগ করলেন, “প্রথমে শুনব, তারপর উত্তর দেব।” দাদা হাসলেন, “আমিও নতুন কিছু শিখব তোমাদের কাছ থেকে।”
আজ থেকেই চেষ্টা: পরিবারের সবাইকে কথা শেষ করতে দিন। প্রতিদিন অল্প সময় নির্দিষ্ট করুন, প্রশ্ন করুন “তোমার দিনটা কেমন গেল?”—আর উত্তরটি মন দিয়ে শুনুন।
এটি আলোচনা শুরু করার জন্য লেখা একটি কল্পিত সংলাপ; কোনো বাস্তব পরিবারের সাক্ষাৎকার নয়।
আপনার প্রজন্মের কথাও বলুন
শিশু, তরুণ, অভিভাবক বা প্রবীণ—আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ GH-কে জানান। সম্মতি নিয়ে নির্বাচিত কথোপকথন এই বিভাগে তুলে ধরা হবে।
GH-কে ইনবক্স করুন ↗
Generations Hub - GH Bangladesh